টুকিটাকি

১৯৮৬,মাল্টিপারপাস হেলথ স্কিম বাস্তবায়িত হচ্ছে।কোওর্ডিনেশন এর নেতাদের ভালো ভালো পোস্টিং। সাপ্তাহিক মীটিং এ এই চাই ওই চাই।সাব সেন্টার ভিসিট শুরু কোরলাম। স্মৃতিকণা বড় নেত্রী।তার সেন্টার গোপালনগর,বড় রাস্তার একদম ধারে।হাসিমুখে সেজেগুজে মেক আপ নিয়ে আমার জন্যে প্রস্তুত। গ্রামের কেউই ওকে বিশেষ চেনে না।একটি গরভবতী মহিলা,যাকে আইরন ট্যাবলেট গত মাসে দেওয়া হয়েছে, দেখাতে বলাতে চোখের জল বেরিয়েContinue reading “টুকিটাকি”

সামাদ

রাত দুটোর সময় জিডএ এসে বলল,একটা বাচ্চা খারাপ আছে।ওয়ারড এ গিয়ে দেখি,একটা জ্ব্ররের রুগী।ওর বাবা দাড়িয়ে আছে কথা বলার জন্য।সেই আমার প্রথম সামাদের সাথে দেখা। সামাদ এলাকার টপ ক্রিমিনাল। পুলিশ এর কেস থাকার জন্য সে দিনের বেলা ঘোরাঘুরি করতে পারে না।তাই এত রাতে।সামাদের চোখ পাথরের মত স্থির।অত রাতে আমার বুকটা কেমন যেন করে উঠল।বাচ্চাটা ভালোContinue reading “সামাদ”

ফরসেপস আর মুরগির গল্প

হেলথ সেন্টার এর পোস্টিং এর দশদিনের দিন।বাইরে খুব হট্টগোল। একজন প্রসুতি চেচিয়ে বাজার মাত করে দিচ্ছে।সে যত চেচাচ্ছে,তার বাড়ির লোক ততোধিক।বাচ্চা মারা গেছে।এসে আটকে আছে।বের আর হচ্ছে না।এম্বুলেন্স টা বহরমপুর,কি করা যায়।সিস্টার বলে একটা ফরসেপ আছে,তিন বছর ব্যবহার হয় নি।দেখলাম ঠিক আছে। এপিসিওটমি দিয়ে ফরসেপস লাগালাম,চট করে কাজ হয়ে গেলো। চারিদিকে সবাই শান্ত। কিছুক্ষণ পরContinue reading “ফরসেপস আর মুরগির গল্প”

আয়েষা

১৯৮৫ তে যখন চাকরি সুত্রে গ্রামএ গেলাম,তখন খুব poisoning এর রুগী আসত।একটু কিছুতেই বিষ খেয়ে নেওয়া,বিশেষ করে মেয়েরা।তখন রাস্তা ঘাট ভালো না,গরুর গাড়ি বা খাটিয়ায় মানুষের কান্ধে চেপে দূর দূরান্ত থেকে রুগী আসতো।আমার হাতে বেশিরভাগ রুগী ভালো হয়ে যেতো।মারা গেলে পোস্ট মরটেমের ভয়ে রুগীকে বাড়িতে নিয়ে যাবার একটা চল ছিলো। এর জন্য একটা কাগজে আমরাContinue reading “আয়েষা”