দিদিভাই

১৯০০— ১৯৭৭ কিছু লোক আছে, জীবিত অবস্থায় তাদের সঠিক মূল্যায়ন হয় না।আমাদের দিদিভাই এমনি একজন।ওনার কাজের সঠিক পরিধি আমরা ওনার মারা যাবার পরেই জেনেছি। ১৯০০ সালে জন্ম রেংগুন।বাবা তদানিন্তন বারমা গভরনমেন্টেএর বড় পদধারী। ১৯১১ সালে দাদুভাই এর সাথে বিবাহ।শুনেছি দাদুভাই খুব লম্বা আর সুন্দর ছিলেন।সেই তুলনায় দিদিভাই খুবই সাদামাটা।দাদুভাই একটু হতাশ হয়েছিলেন।বিয়ের পর ধুবরি, যেখানেContinue reading “দিদিভাই”

ধূবরী৷  আমার ছোটবেলা। দাদুভাই ও দিদিভাই

ছোটবেলার কথা মনে হলেই ধুবরির কথা উঠে আসে।প্রতিবছর পুজোর সময় আমরা সবাই ধুবরিতে চলে আসতাম। ওই কটা দিন নিরভেজাল আনন্দ,কোন শাসন নেই,খুবই মজা।দাদুভাই ধুবড়ির পয়লা সিটিযেন।ওনার নামে জীবিতকালে রাস্তা।দিদুভাই বোউমাদের নাম করে চিঠি লিখতেন,চিঠি চলেও আসত। ঠাকুর  বিসর্জন এর পর সবাই প্রথমে আমাদের বাড়িতে এসে দাদুভাইকে প্রনাম করে বিজয়া শুরু করতেন।আমরাও বেরিয়ে পরতাম বাড়ি বাড়িContinue reading “ধূবরী৷  আমার ছোটবেলা। দাদুভাই ও দিদিভাই”