একদিন সকালে হাসপাতালে রাউন্ডে গিয়ে দেখি স্টেশন পাড়ার ছেলেরা একটা লোককে রেখে গেছে।মারের চোটে তার পায়ে ফ্র্যাকচার।কিছুক্ষণ পর ছেলেরা এসে বল্ল, থানা পুলিস হবে না,আমরাই ওকে পিটিয়েছি। বার বার বলা সত্বেও চুরি করা বন্ধ করানো যাচ্ছে না। দেড় মাস প্লাস্টার থাকার পর মদন বাড়ি চলে গেল।
এক বছর পর আবার এক সকাল।মদন আবার হাজির।ওবার দুটো পা ই ফ্র্যাকচার।ব্যাপার খুবই সিরিয়াস।চুরির মাত্রা বেড়ে গেছে।মদন আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসে।এবারের চোটটা বড়।দু পা প্লাস্টার হল।এবার তিন মাসের ধাক্কা।এবার স্টেশন এলাকায় চুরি করলে মেরেই ফেলবে,এমনই কথা।ওকে অনেক বোঝালাম।প্লাস্টার কাটার দিন কিছু টাকাও দিলাম।
সেই রাতে হই হই আওয়াজ পেয়ে উঠে শুনি মদন এমারজেন্সির কাছের কয়েকটা দোকান থেকে জিনিশ চুরি করে পালিয়েছে।
এরপর দু বছর কেটে গেছে।একদিন রাতে ট্রেন থেকে নেমেছি,বাড়ি যাবার জন্য রিকশা খুজছি। দেখি একটা রিকশা নিয়ে ফিক ফিক করে হাসছে৷ মদন।বলল৷ আসুন,আপনাকে রেখে আসি।আমি এখন শুধরে গেছি।আর ওইসব করি না। চেপে বসলাম।তারপর থেকে অনেকবারই ওর রিকশায় চেপেছি।