মুরশিদাবাদের বালুচরী শারীর গল্প ১৭০৩ সালে শুরু, যখন মুরশিদকুলি খান ঢাকা থেকে রাজধাণী এখন কার মুরশিদাবাদে নিয়ে আসেন।নবাবের সাথে আসেন অনেক শিল্পী।কিছু তাতীকে বালুচর নামে এক গ্রাম এ বসতি দেন নবাব।সেই গ্রাম এখনকার জিয়াগনজ।বালুচর থেকে বালুচরি।
এর ও ১০০ নছর আগে থেকে বাংলা সিল্ক এর জন্য বিখ্যাত ছিল।পরতুগিস,ডাচ,ব্রিটিশ সবাই কাশিমবাজার ও মালদায় সিল্কের ফাক্টরি করে। নবাব পারিষদ ও অপর বড়লোকেদের পৃষঠপোষকতায় বালুচরি শারীর তখন রমরমা।দেশে বিদেশে রপ্তানি হত তখন.
আশেপাশের আর কিছু গ্রাম নিয়ে একটা বালুচর অনচল,সেখানে বালুচরি শারীবোনা শুরু হয়।১৮০০ রশেষের দিকে,দিবাকর দাস নামে এক শিল্পী এই শিল্প এক নূতন মারগে নিয়ে যান।ওনার মৃত্যুর পর ১৯০৩ সাল থেকে এই শিল্পের পতন শুরু হয়।ভূমিকম্প, বাণ,দুর্ভিক্ষের কারণে এই অনচলে বালুচরি শিল্প পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় ও কারিগর সবাই ২০০ কিলোমিটার দূর বিষণূপুর চলে যান
বিষনুপুরে শুভ ঠাকুর ও কমলাদেবী চট্টপাধায়ের সহযোগিতায় নতুন ডিসাইন ও পরিকাঠামো নিয়ে বালুচরির চরচা আবার শুরু।সরকারী সহযোগিতায় বালুচরি আবার প্রেকখাপটে, কম্পিউটারের মাধয়মে ডিসাইন,।
২০ বছর আগে,কিছু কারিগর আবসর জিয়াগনজ ফেরত এসে নতুম ভাবে বনন শুরু করেন।