১৯৮৬,মাল্টিপারপাস হেলথ স্কিম বাস্তবায়িত হচ্ছে।কোওর্ডিনেশন এর নেতাদের ভালো ভালো পোস্টিং। সাপ্তাহিক মীটিং এ এই চাই ওই চাই।সাব সেন্টার ভিসিট শুরু কোরলাম।
স্মৃতিকণা বড় নেত্রী।তার সেন্টার গোপালনগর,বড় রাস্তার একদম ধারে।হাসিমুখে সেজেগুজে মেক আপ নিয়ে আমার জন্যে প্রস্তুত। গ্রামের কেউই ওকে বিশেষ চেনে না।একটি গরভবতী মহিলা,যাকে আইরন ট্যাবলেট গত মাসে দেওয়া হয়েছে, দেখাতে বলাতে চোখের জল বেরিয়ে গেল।
মালতী আর সুরুচী দুই বোন।ওদের গ্রাম লক্সিনারায়নপুর ভাগিরথীর ধারে।বছরে দু মাস জলের তলায়,নোউকো ছাড়া যাওয়া অসম্ভব।নিজের বাড়িতেই সেন্টার।মাটির বাড়ি।গ্রামের সবার ঝকঝকে চেহারা।সবাই ঠিকমত টিকে ও ওষুধ পায়।বাচ্চারা লাফ দিয়েনদীতে স্নান করতে নামছে।
কলাপাতায় গরম ভাত দিয়ে কই মাছ,মোউরলা মাছের টক,পুটি মাছ ভাজা,আমার খাওয়া দেখে সবাই হেসে কুপোকাত।খাওয়া শেষে আবার নোউকয় ফেরা।